Thursday, August 7, 2014

খাজানা

খাজানা

একটা গল্প
একটা তোতার কাহিনী,
গল্পের রাজপাঠ ধরে
একটা রাজার রুপকথায় ঢুকেছিলো
রাজকুমারের আত্মজীবনী !

যেটা, জানতে না জানতেই
জটা থেকে লাফ দিল গঙ্গা
সরযূ থেকে লাফ দিয়ে উঠে এলো পাড়ে
এক সারমেয়...

স্বর্গ থেকে অনেক দূর তখনো কাঞ্চনজংঘা
মাঘের শেষে
চৈত্রের ফাটলে প্রবেশ করছে সীতার ধ্বংসাবশেষ
যেখানে লুকানো আছে তেতুল ও বট
মৃত্যুঞ্জয়ের আশিয়ানা !
"এই সোনার ভান্ডারের চেয়ে মূল্যবান রত্নভান্ডার এখানে আছে।
একবার যাইবে না ?"

খুঁজতে খুঁজতে
সেই সব যুবতী নদীর গল্প
পাড় ধরে হেঁটে গেল নটে গাছটি; গুঁড়িটিও !

কিছু কিছু শিকড় যদিও লবনের স্বাদ পায় না

কুকুরটি তবুও মোহনা অব্দি
সঙ্গে সঙ্গে আসে ।


গুমরাহ

গুমরাহ

কপালের উপর দিয়ে ফোর লেগ বাই
সীমানার বিপরীতে প্রবাহ
কসকে ধরে রেখেছি এখানেই গঙ্গা

গতিপথে হারিয়ে যেতে যেতে এক দলছুট
মাছের ঝাঁকে
দুষ্মন্তের রাজ্য চুইয়ে চুইয়ে
মিশে গেল ত্রিবেনী সংগমে

বক্সারের প্রান্তরে ছড়িয়ে শূকরের চর্বি
ইলাহাবাদের পাড় ছাড়িয়ে সিপাহীর চামড়াও...

এক গঙ্গা রক্ত
গুলি বারুদের ভার বুকে নিয়ে
ভাগীরথীর শাখা-প্রশাখায়
কিভাবে
গুমরাহ হয়ে গেল ।



ডি এন ডি

ডি এন ডি

ডি এন ডি ব্রীজ ডাকছে ,
ব্রীজের নিচে যমুনা, জলের সাথে মিশে বাদামী স্রোত

রৌদ্রের কাঁধে চড়ে আসছে রাজধানীর সকাল

আমরা কিছু ডোরাকাটা
আমরা কিছু খাঁকি
এল-জির পর্দায় চোখ

যমুনা ডাকছে, ফেনাময় স্রোতের হাতছানি
চলো আমরা দুগ্লাস জলের পাশে আসি
চলো আমরা ব্রীজের ঢালানে পিছলে যাই

আমরা কিছু সামান্য সুনীল
আমরা কিছু সামান্য শঙ্খ
উজানে পাড় কাটি

আর পাথরে দাগ কাটতে কাটতে
চোরি চোরি নিচু হয়ে ঝুঁকে
বি এম ডব্লিউ এর ক্লিভেজ দেকে ফেলি ...