Tuesday, February 25, 2014

BIODATA

পীযূষকান্তি বিশ্বাস দিল্লির বাঙালী কবি । পৈত্রিক বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার অন্তর্গত রাণাঘাট মহাকুমার প্রতাপগড় নামক একটি গ্রামে। জন্ম ১৯৭৫ সালে, মে মাস ।  পিতা জ্ঞানেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও মাতা করুনাময়ী বিশ্বাস । চার ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ তিনি । প্রথমে গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা এবং পরে বহিরগাছি উচ্চবিদ্যালয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহন করেন । ১৯৯৩ তে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন । যদিও এই চাকরি গ্রহন তার উচ্চশিক্ষার পথে কোন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় নি । ভারতীয় বিমান বাহিনীতে কার্যরত অবস্থায় তিনি যথাক্রমে বি এ, বি বি এ এবং এম সি এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । বিমান বাহিনীর পরে তিনি বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করতে থাকেন । বর্তমানে তিনি 'ডেল' কোম্পানীতে কার্যরত রয়েছেন । তিনি বিবাহিত এবং সহধর্মিনীর নাম বিউটি বিশ্বাস । একটি মাত্র পুত্র ৯ বছরের ঋজুস্মিত বিশ্বাস দ্বারকায় ম্যক্সফোর্ট স্কুলে পড়ে ।

পারিবারিক সুত্রে তিনি বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যের প্রতি ছোটবেলা থেকেই উতসাহী ছিলেন । পিতা ভক্ত গীতির লেখক ও গায়ক ছিলেন এবং অগ্রজ পলাশকান্তি বিশ্বাস ও কবি ছিলেন। এই আবহ থেকেই তার কবিতা ও সাহিত্যর প্রতি সেই তখন থেকেই সাহিত্য অনুরাগ । বস্তুত সেই সুত্র ধরেই পরবর্তীকালে পীযূষকান্তি বিশ্বাস কবিতা রচনার প্রতি নিজের ঝোঁক বাড়ান  এবং দিল্লির বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তার লেখা বেরতে থাকে। তার বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অভিজ্ঞতা এবং আর্মি জীবনের ভাব ভালোবাসা ও দেশপ্রেম ভিত্তিক কবিতাগুলি দারুন জনপ্রিয়তা লাভ করে । তার কবিতাগুলি ব্লগের আকারে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে পাওয়া যায় । তার মধ্যে একটি http://armypoem.blogspot.in . তার ইমেল হল softestpk@gmail.com





পীযূষকান্তি বিশ্বাস দিল্লির বাঙালী কবি ।  দীর্ঘ দিন ধরে দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করে চলেছেন। তার বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অভিজ্ঞতা এবং সামরিক জীবনের আকাঙ্ক্ষা, প্রেম, বঞ্চনার কবিতাগুলি দারুন জনপ্রিয়তা লাভ করে । দিল্লিতে বেশ কয়েকটি প্রত্রিকা সাথে যুক্ত রয়েছেন তার মধ্য কথাঞ্জলী, প্রতিভা পথিকৃৎ উল্লেখযোগ্য । তার লেখা কবিতাগুলি ব্লগের আকারেও বিভিন্ন ওয়েব সাইটে পাওয়া যায় ।

Tuesday, February 4, 2014

ব্যথা

ব্যথা

নিরক্ষরেখা বরাবর
যে দ্রাঘিমাগুলো টেনে দিয়ে গেছো
মাটিতে আমি তার কোন আঁচড় দেখি না
কোন ব্যথার কথাও আমি শুনিনি, এই সব কাটিকুটিতে

যে ব্যাথাগুলো আমি টের পাই লোকাল ট্রেনে বা প্রাইভেট বাসে উঠতে গিয়ে গুঁতো খেয়ে,
একই দৃশ্য প্রিন্ট হয়ে বাড়ি ফিরে আসে
অথচ ব্যথাদের ভীড় আমি দেখতে পাই মাল্টিপ্লেক্সের অডি-টরিয়ামে
কি দারুন পুড়ে যায় কর্ণফ্লেক্স ...
কিংবা মোবাইলের মেসেজ হতে না পেরে কোন কোন ব্যথা রা
বালিশের নিচে ফিরে যায় ।

শুধু রাত ভোরের গরীব রেখাটা কি আশ্চার্য দক্ষতায় ক্রমশ ক্ষীন হতে হতে 
ব্যথাদের উজ্জল মেরুবিন্দুতে বেমালুম মিলিয়ে যায়
আর দিন শুরু হতে না হতেই
ব্যথা-রা আর আদরে-রা ভাগ করে নেয় নিজ নিজ গোলার্ধ ... 

এ সব কি ব্যক্তিগত অনুভূতির উর্ধে  কোন শয়ন প্রনালী ? ?
নাকি বাক্তি বিশেষে আদরের তারতম্যে ব্যথার মুল্যায়ন ? 
নাকি দেশী বাঁধাধরা নদি ও নালার জীবন চক্র নিয়ে
আন্তর্জাতিক ক্যাপাবিলিটি ম্যাচুওরটি মডেল...

তবুও, দেখ, এই এক ভৌগলিক অবকাশ কে ঘিরে
আমার মাথার পাশ দিয়ে ঘুরে আসে সৌরজগত
আর জন্ম নেয় আর একটি শিশু পৃথিবী,

এই ব্যথা আর আদরের বাহিনীকে দেখি ,
চাঁদা, কম্পাস নিয়ে তারা আবার 
বসে গেছে কোন নবজাতকের তুলতুলে মাসুম বুকের উপর।