স্ট্যাচু- ১
আমি এক স্ট্যাচু, পায়ে অ্যাংকলেট বুট , গায়ে আসফল্টের জামা, জিন পেতে বসে ঘোড়ায় সওয়ার,
পায়ে আটকে থাকে ফুটপাতের কম্পন, আমি টের পাই এক অভিকেন্দ্রিক টান, মোড়ে পাঁচমাথার
ঘুরছে কিছু চাকা, বুকের উপরে এপিঠ ওপিঠ, জিরো থেকে তিনশ উন-ষাট, আপন বুকের উপর
ঘুর্ণনে সম্পূর্ণ তার ব্রম্মান্ড ভ্রমন, নিজেরই পদদলনে বন্ধুর বুক, আজ ফুটেছে এক আধুনিক শহর !
আনুভব করি তার শব্দের মুখে মুখে মানুষের পিতামহ, প্রপিতামহগণদের সাথে হেঁটে যাই শব্দবিহীন
বাতাসের স্বচ্ছ ধুলিকণায়, সেই সব ধ্বনি কণা, অণু-পরমাণুদের সাথে আমার সংলাপ সারাদিন
সুসজ্জিত লাস্যময়ী যুবতী সন্ধ্যায়, কিংবা রাতজাগা রক্তচক্ষু ক্লান্ত ভোরবেলাদের গাঁথা
আমি সেই কথোপকথনের কপালে হাত বুলায়, কান ধরে টানি তাদের, আর উঠে আসে মাথা ।
তেলহীন সেই সব মাথারা আমার আঙুল বেঁকিয়ে নিয়ে মননে তোলায় এক পারমানবিক ঘি
জ্যামিতির অংক হয়ে বাটির তলাথকে আকাঙ্ক্ষার কঠিন এক উপপাদ্য আমি নিয়ে এসেছি
নীচে, আরও গভীরে, তারা অজস্র অন্ধকারের গন্ধ, শহরের গিজ গিজ আলো, রাত, দিন মাঠে
ভিড়ের বাসে, রেলের কামরায়, শনি- বুধ বাজার, গংগার দুপাড়ে আঁশটে শ্যাঁওলা জমা ঘাটে
ওদের ভাষা, চাহনি, ক্ষুধা, জ্যোৎস্নায় রাত্রিজুড়ে দেখা সোনালি আপ্লুত আর যৎ অযাচিত স্বপ্ন
আমার পাদদেশে জমে থাকে বা পুষ্পস্তবকে শুকিয়ে কখন যে তারা বাষ্প হয় বাতাসের অভ্যন্তরে
আঙুলের গন্ধ শুঁকি, তারা, আমার পাথুরে চোখের পাতায় মেঘ হয়ে, জমে থাকে স্তরে স্তরে ।
আমি এক স্ট্যাচু, পায়ে অ্যাংকলেট বুট , গায়ে আসফল্টের জামা, জিন পেতে বসে ঘোড়ায় সওয়ার,
পায়ে আটকে থাকে ফুটপাতের কম্পন, আমি টের পাই এক অভিকেন্দ্রিক টান, মোড়ে পাঁচমাথার
ঘুরছে কিছু চাকা, বুকের উপরে এপিঠ ওপিঠ, জিরো থেকে তিনশ উন-ষাট, আপন বুকের উপর
ঘুর্ণনে সম্পূর্ণ তার ব্রম্মান্ড ভ্রমন, নিজেরই পদদলনে বন্ধুর বুক, আজ ফুটেছে এক আধুনিক শহর !
আনুভব করি তার শব্দের মুখে মুখে মানুষের পিতামহ, প্রপিতামহগণদের সাথে হেঁটে যাই শব্দবিহীন
বাতাসের স্বচ্ছ ধুলিকণায়, সেই সব ধ্বনি কণা, অণু-পরমাণুদের সাথে আমার সংলাপ সারাদিন
সুসজ্জিত লাস্যময়ী যুবতী সন্ধ্যায়, কিংবা রাতজাগা রক্তচক্ষু ক্লান্ত ভোরবেলাদের গাঁথা
আমি সেই কথোপকথনের কপালে হাত বুলায়, কান ধরে টানি তাদের, আর উঠে আসে মাথা ।
তেলহীন সেই সব মাথারা আমার আঙুল বেঁকিয়ে নিয়ে মননে তোলায় এক পারমানবিক ঘি
জ্যামিতির অংক হয়ে বাটির তলাথকে আকাঙ্ক্ষার কঠিন এক উপপাদ্য আমি নিয়ে এসেছি
নীচে, আরও গভীরে, তারা অজস্র অন্ধকারের গন্ধ, শহরের গিজ গিজ আলো, রাত, দিন মাঠে
ভিড়ের বাসে, রেলের কামরায়, শনি- বুধ বাজার, গংগার দুপাড়ে আঁশটে শ্যাঁওলা জমা ঘাটে
ওদের ভাষা, চাহনি, ক্ষুধা, জ্যোৎস্নায় রাত্রিজুড়ে দেখা সোনালি আপ্লুত আর যৎ অযাচিত স্বপ্ন
আমার পাদদেশে জমে থাকে বা পুষ্পস্তবকে শুকিয়ে কখন যে তারা বাষ্প হয় বাতাসের অভ্যন্তরে
আঙুলের গন্ধ শুঁকি, তারা, আমার পাথুরে চোখের পাতায় মেঘ হয়ে, জমে থাকে স্তরে স্তরে ।
No comments :
Post a Comment
Note: Only a member of this blog may post a comment.