Thursday, November 7, 2013

আইন কি হবে

নারী ও পুরুষ , এদের জন্য কোন আইনের কোন বৈষম্য থাকা উচিত কি ? উত্তর বলবেনা, কিন্তু এটা এখন কার সময় স্রোত বলছে। মানুষের স্রোত যেখানে নিচু জমি পেয়েছে সেদিকেই বয়েছে, আজ কিছু লোকের মনে হল, স্রোত টা পাল্টানো দরকার, তারা আওয়াজ উঠিয়েছে কি করে নিচু জমি উচু করা যায়...কিন্তু  এতে তেমন কোনো ফল লাভের আশায় নাই, উচু নিচু চিরকাল থাকবে, শুধু ঠিক করা
দরকার, কার কি কর্তব্য...লিখিত ভাবে, এ দেশে তিনটে নিয়ম চলছে,

১। ধার্মিক - যেটা লিখিত আকারে পাওয়া যায়, কিন্তু তা বহু যুগ আগে লেখা, এবং তা পালটানো যাবে না।

২। রাষ্ট্র-সংবিধান, অল্প কিছু আইন প্রনয়ন করা সম্ভব হয়েছে যা রাষ্ট্র তার নিজের অস্তিত্বের জন্য বানিয়েছে । এর বাইরে যে সব আইন কানুন রয়েছে, তা আবার সামাজিক বা মানবতার ( ২ নং ) দিয়ে বিচার করা হয় ।

৩। সামাজিক - এটা লেখা হয়নি কখনো, ধর্মগ্রন্থের সীমাবদ্ধতার কারনেই হয়ত এ রকম বহু আইন কানুন আমাদের সমাজে চলে আসছে। এ সব কোন বিদ্যালয়ের পাঠ্য স্থান পায় নি, তাই এই সব অনুমানের উপর নির্ভশীলযে যেমন পারে তার ব্যাখ্যা করে নিজের মত করে চালায়, বেশির ভাগ মানুষের নিত্য দৈনুন্দিন গতিবিধি ( বিবাহ, সংসার ইত্যাদি) এই নিয়মে চলে। অনেকে এই নিয়ম কে মানবতা ও বলেন ।


প্রশ্ন হচ্ছে, কোন নিয়ম টা কি ভাবে পালিত হচ্ছে ?
১। ধর্ম মানা টা বা না মানা কোন বাধ্যতামুলকতা নেই, কেউ কন্ট্রোল করতে গেলে সে তালিবান হয়ে যাবে, কিন্তু এই আইন ছাড়া জীবন যাপনের অধিকাংশ কার্যই নিঃসাড়। অথচ১০০ % পুজো ঐ মতে হচ্ছে, ১০০% নামাজ ও ঐ মতে পড়া হয় । ৯০ % (এক টু ঢিল মারতে হল, সার্ভে করিনি) বিবাহ ঐ
মতে হচ্ছে, আর সন্তান জন্মাচ্ছে সেই বিয়েতে। 

২। রাষ্ট্রের নিয়ম আদালতে মান্য হয়, এই নিয়ম উলঙ্ঘনে অর্থ জরিমানা, জেল বা মৃত্যুদন্ড হয় । আমরা নিয়ম কানুন বলে এই রাষ্ট্র আইন কে বুঝি কারন, এটা কে রক্ষনাবেক্ষনের জন্য একটা নীতি রয়েছে এবং তা সময় সময় সংশোধন করা হয় । সূতরাং রাষ্ট্র তার অধিবাসীকে সেই আইন মান্য করতে বাধ্য করে । এই মতে কিছু বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ ইত্যাদি নামক ব্যবস্থা রয়েছে, যদিও বিবাহের প্রয়োগ সামান্য তবে বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য সরকারি আইনের ব্যবহার আজ কাল খুব ই দেখা যায় ।

৩। সামাজিক নিয়মটা জীবন যাপনের ক্ষেত্রে বেশী বাবহার করা হয়, এটার কোন লিখিত ফর্ম নেই, সুতরাং প্রতিপদে সংঘাতে এর কোন বিচার সম্ভব নয়, এমন কি সমাজে কার কি দায়িত্ব বা কর্তব্য তা অনুমান সাপেক্ষ, তাই প্রতিক্ষনে তা পালটিয়ে যায়, সমাজে কোন আদালত নেই যে এই সব সাংসারিক নিয়ম কানুন কে মান্য করতে বাধ্য করে । কোন আইনে লেখা হচ্ছে না কাজের মাসী ঠিক কত টা কাজে কত টাকা পাবেছেলে মেয়ের বিয়ের পর বিপত্নীপ বাবা বিয়ে করতে পারবেন কিনা ? সংসারে স্বামীর কত টাকার উঁপার্জন করা দরকার ?  বৌমাকে কেন চাকরি করতে দেওয়া হবে না ? বিউটি পার্লারে গিয়ে গিন্নিকে ঠিক কত টাকা বরাদ্দ করা যাবে ? স্বামী কেন বাসন মাজতে পারবে না... এই সব ই সামাজিক কানুনে বিচার করা হয়যেটা, কেউ লিখছে না... আর সংসারে গন্ডগোল বেধেই চলেছে


দাদা, কিছু ভাবুন, আর আমাদের কে কিভাবে গন্ডগোল কে মুক্তি দিয়ে ভালবাসা সংসারে আনা যায়, একটু ভাবুন ।



No comments :

Post a Comment

Note: Only a member of this blog may post a comment.