স্ট্যাচু-৫
বুকের মধ্যে এক সিলিকন কণা থেকে অলিন্দর কোনো এক রাইট অ্যাঙ্গেলে বিক্ষিপ্ত বিচ্ছুরণ
ধর্মযুগের শব্দতরঙ্গে আলোড়িত হচ্ছে বিশ্বাস ও অবিশ্বাস, সাইন
ওয়েভের এপিঠ ওপিঠ যখন,
আমার বিভিন্ন ঘুলঘুলিতে, হিগস বোসোন এনেছে ঈশ্বরের বাণীসমুহ মানুষের মঙ্গলকামনায়
এক নিদারুন পদার্থকণা, মিশে গেছে ওরা প্রতিটা ধুলিকণায়
আমার কানে, নাকে, জিহবায়
আমাদের ঈশ্বরগণ, যারা ভীড় করে আছে আমাদের চৌমাথা, বটতলা,
মন্দিরের উঠোন
বিধান সভা, কিংবা পার্লামেন্ট, যারা স্থবির নয় মোটেই, যার সব সত্যি, দুপায়ে গমনাগমন
ওদের বিশ্বাস কে কিছুতেই আমি ফুঁ মেরে উড়িয়ে দিতে পারছি না শরতের বিকেলের বাতাসে
প্রতিনিয়ত শুধু ওরা পাদদেশে আটকে থাকা যুদ্ধস্মারককে অস্বীকার করে যেন অট্টহাসি হাসে ।
অথচ, এঁটে থাকা পাথরেও আমার একটা গতি আছে, গোপন, ত্রিমাত্রিক
আকাশগঙ্গা পুত্র
তোমরা যে কি সব ত্বরণ-শূণ্য গতির কথা বালো ? কোন ভরবেগ
ছাড়া এ কোন গতি-সুত্র ?
গলিমুখে মাইকের আজান, সন্ধ্যার আরতিতে ঘন্টা-ধ্বনি, শুধু এসবই সত্য ? ধর্মঘট , হরতাল ?
স্বাধীনতার স্বীকরোক্তি আমার কর্ণকুহরে টহলদারি করে, সত্য স্থাপনের তাগিদে দিনরাত গলাবাজি ।
আর আমার গমন কি শুধুই কাল্পনিক ? নিছক রুপক ?কদম বদলে আমি যুদ্ধসাজে সাজি
লাইটসেবার হাতে নক্ষত্রমন্ডলে আমিও সৈনিক হয়ে যাই। নিজেরই অক্ষে ঘুর্ননে আমার ভার্চুয়াল গতি
ওদের স্রেফ সারিবদ্ধ মিছিল মনে হয়নি বলে, ওরা আমাকে স্ট্যাচু বলে গালাগাল দিয়ে গেছে ।
ওদের স্রেফ সারিবদ্ধ মিছিল মনে হয়নি বলে, ওরা আমাকে স্ট্যাচু বলে গালাগাল দিয়ে গেছে ।
No comments :
Post a Comment
Note: Only a member of this blog may post a comment.